হজ্জের ক্ষেত্রে  প্রচলিত কিছু ত্রুটি-বিচ্যুতি


মূল : ড. ছালেহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান*
অনুবাদ : মুহাম্মাদ ইমদাদুল্লাহ**

মহান আল্লাহর প্রশংসা ও রাসূলের উপর ছালাত ও সালাম পেশের পর বক্তব্য এই যে, যেহেতু হজ্জ পালন করা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম, তাই রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর কথা, কাজ ও তাক্বরীর বা অনুমোদনের মাধ্যমে এর বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেনআর ছাহাবীগণ (রাঃ) তাঁর অনুসরণ করার জন্য তাঁকে পর্যবেক্ষণ করতেনকেননা তিনি বলেছেন, তোমরা আমার নিকট থেকে তোমাদের হজ্জের নিয়ম-পদ্ধতি শিক্ষা করে নাও
এই নির্দেশের ফলে ছাহাবীগণ তাঁর নিকট থেকে হজ্জের বিধি-বিধান শিখে তা আমাদের নিকট পরিপূর্ণরূপে বর্ণনা করেছেন এরূপ সুস্পষ্ট ও পরিপূর্ণ বিবরণ থাকা সত্তেবও কতিপয় লোক ফযীলত অর্জনের ব্যাপারে বাড়াবাড়ি অথবা কোন বিদআত বা পাপে পতিত হওয়ার মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) প্রদর্শিত পন্থা বিরোধী কার্যকলাপের দিকে ঝুঁকে পড়েছে এর অন্যতম কারণ হল অজ্ঞতা, বিবেক-বুদ্ধি নির্ভর সিদ্ধান্ত ও অনির্ভরযোগ্য আলেমের অনুসরণএরূপ কতিপয় বিষয় যেগুলোতে অনেক হাজী ছাহেবই পতিত হয়ে থাকেন, তার কিছু বিবরণ নিম্নে প্রদত্ত হ।-
ইহরামের ক্ষেত্রে ত্রুটি-বিচ্যুতি :
আকাশপথে আগমনকারী কোন কোন হাজী জেদ্দা বিমানবনদরে পৌঁছার পর সেখান থেকে বা মক্কার আরো নিকটবর্তী হয়ে ইহরাম বাঁধেন অথচ রাস্তায় তার মীক্বাত পূর্বেই অতিক্রান্ত হয়ে গেছে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, هُنَّ لَهُنَّ وَلِمَنْ أَتَى عَلَيْهِنَّ مِنْ غَيْرِ أَهْلِهِنَّ. যারা এইসব মীক্বাত এলাকার অধিবাসী অথবা যারা এগুলি অতিক্রম করেন, তারা হজ্জ বা ওমরার জন্য এসব স্থান থেকে ইহরাম বাঁধবেনকিন্তু যারা এসব মীক্বাত-এর অভ্যন্তরীণ অঞ্চলে বসবাস করেন, তারা স্ব স্ব অবস্থান থেকে ইহরাম বাঁধবেন সুতরাং যে ব্যক্তি হজ্জ ও ওমরা করতে ইচ্ছুক তাকে ঐ মীক্বাত থেকে ইহরাম বাঁধতে হবে যেটি সে অতিক্রম করবে অথবা বিমান ও স্থলপথে তার সামনাসামনি হবেযদি সে তা অতিক্রম করে এবং অন্য জায়গায় গিয়ে ইহরাম বাঁধে তাহলে সে হজ্জের একটি ওয়াজিব পরিত্যাগ করার কারণে দম বা একটি বকরী কুরবানী দিতে হবেহজ্জের ওয়াজিব সমূহের মধ্যে একটি ওয়াজিব ছেড়ে দেওয়ার কারণে দম বা কুরবানী করা ওয়াজিব হবেআর জেদ্দা তার অধিবাসী ব্যতীত অন্যদের জন্য মীক্বাত নয়
অনেক হাজী মনে করেন ইহরাম বাঁধার সময় তার নিকট যে সকল সামগ্রী (জুতা, কাপড়, টাকা-পয়সা প্রভৃতি) থাকবে, ইহরাম অবস্থায় সে শুধুমাত্র সেগুলোই ব্যবহার করতে পারবে পরবর্তীতে সংগৃহীত বা ক্রয়কৃত সামগ্রী ব্যবহার করতে পারবে না এটা বড় ভুল ও নিরেট মূর্খতাবরং তিনি ইহরামের সময় যে জিনিসগুলো তার নিকট ছিল না সেগুলো ব্যবহার করতে পারবে, প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে পারবে ও ব্যবহার করতে পারবে এবং পরিধানকৃত ইহরামের পোষাকের অনুরূপ পোষাক এবং পরিধেয় জুতা পরিবর্তন করতে পারবেতবে মুহরিম ব্যক্তিকে অবশ্যই নিষিদ্ধ কার্যাবলী থেকে বিরত থাকতে হবে
অনেক পুরুষ ইহরাম বাঁধার সময় ইযতেবার মত কাঁধ খোলা রাখেনএটা ঠিক নয় বরং ইযতেবা (কাঁধ খোলা রাখা) শুধু তাওয়াফের (তাওয়াফে কুদূম বা তাওয়াফে ওমরা) এর সাথে সংশ্লিষ্টঅন্য সকল সময়ে কাঁধ চাদর দ্বারা ঢাকা থাকবে
অনেক মহিলা মনে করেন তাদের ইহরামের জন্য নির্দিষ্ট রঙের কাপড় রয়েছে যেমন সবুজএটা ভুল ধারণাকেননা তাদের জন্য নির্দিষ্ট কোন রংয়ের পোষাক ইহরামের জন্য নির্ধারিত নেই, বরং তারা স্বাভাবিক যে কোন কাপড়ে ইহরাম বাঁধতে পারবেনতবে সৌন্দর্য্যমন্ডিত, আটসাঁট অথবা পাতলা কাপড় পরিধান করা ইহরাম বা অন্য কোন অবস্থাতেও জায়েয নয়
কতিপয় মহিলা ইহরামের সময় তাদের মাথায় পাগড়ীর মত পট্টি বাঁধেন যেন তারা উপর থেকে চেহারা ঢেকে রাখতে পারেনএটা ভুল ও কৃত্রিমতা মাত্রএর কোন প্রয়োজন ও দলীল নেইআয়েশা (রাঃ) থেকে এরূপ বর্ণিত হয়েছে যে, তারা ইহরাম অবস্থায় পুরুষদের থেকে মুখ ঢাকতেনতিনি পাগড়ী বা পট্টি বাঁধার কথা উল্লেখ করেননিতাই চেহারা ঢাকার কাপড় মুখ স্পর্শ করলে কোন ক্ষতি নেই
কতিপয় মহিলা মাসিক ঋতুস্রাব অবস্থায় এ ধারণার বশবর্তী হয়ে ইহরাম না বেঁধেই মীক্বাত অতিক্রম করেন যে, ইহরাম বাঁধার জন্য হায়েয হতে পবিত্র হওয়া শর্তএটা সুস্পষ্ট ভুলকেননা ঋতুস্রাব ইহরাম বাঁধার অন্তরায় নয় হায়েয ওয়ালী মহিলা বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ব্যতীত হাজীদের মতো সব কাজই করবে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত সে তাওয়াফ প্রলম্বিত করবে, যেমনটি হাদীছে এসেছে ইহরাম না বেঁধে মীকাত অতিক্রম করার পর পবিত্র হওয়া সাপেক্ষে আবার মীকাত থেকে ইহরাম বাঁধলে তা যথেষ্ট হবে আর স্বীয় মীক্বাতের ভিতর থেকে ইহরাম না বেঁধে থাকলে ওয়াজিব তরক করার জন্য তাকে দম দিতে হবে
তাওয়াফের ক্ষেত্রে ত্রুটি-বিচ্যুতি :
অনেক হাজীই তাওয়াফের সময় নির্দিষ্ট কিছু দোআ পাঠ করাকে আবশ্যক মনে করেনকখনো তারা দলবদ্ধভাবে আবৃত্তি করেন আবার কখনো কখনো একজন পড়েন এবং অন্যরা দল বেঁধে তার পুনরাবৃত্তি করেন এটা দুই দিক থেকে ভুল১. তিনি এমন দোআকে নিজের জন্য আবশ্যক করে নিয়েছেন, যা সেই স্থানে তার জন্য বলা আবশ্যক নয়কেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) থেকে তাওয়াফের নির্দিষ্ট কোন দোআ বর্ণিত হয়নি২. এভাবে সম্মিলিতভাবে দোআ করা তাওয়াফকারীদের জন্য বিঘ্ন সৃষ্টি করেবরং প্রত্যেক ব্যক্তি যে দোআ জানে সে নিজেই তা নিম্নস্বরে পাঠ করবে
তাওয়াফের সময় অনেকে রুকনে ইয়ামানীকে চুম্বন করেএটা ভুলকেননা রুকনে ইয়ামানীকে শুধু হাত দ্বারা স্পর্শ করার বিধান রয়েছে; চুম্বন করার নয় এমনকি ভিড়ের সময় ইশারা করারও বিধান নেই হাজারে আসওয়াদকেই শুধু চুম্বন করতে হয়
অনেকে হাজারে আসওয়াদকে স্পর্শ করা ও চুম্বন করার জন্য ভিড় করেএটাও ঠিক নয়এতে নিজের ও অন্যদের কষ্ট দেয়া হয় তাছাড়া এতে নারীদের জন্য পুরুষদের ভিড় করার সমস্যাও রয়েছে সম্ভব হলে হাজারে আসওয়াদকে চুম্বন দেয়া ও স্পর্শ করা শরীআত সম্মত আর সম্ভব না হলে ভিড়, সমস্যা ও ফিতনা সৃষ্টি না করে শুধু ইশারা করতে হবেকারণ ইবাদতের মূলভিত্তি হল সহজবোধ্যতার উপর আর হাজারে আসওয়াদ চুম্বন করা মুস্তাহাব একটি মুস্তাহাব অর্জনের জন্য হারাম কাজে লিপ্ত হওয়া কখনও উচিত নয় ভিড় হলে শুধু ইশারা করে চুম্বন দিলেও চলবে
চুল কাটার ক্ষেত্রে ত্রুটি-বিচ্যুতি :
অনেক পুরুষ চুল খাট করার সময় মাথার মাত্র কয়েকটি চুল খাট করে থাকেনএটা হজ্জ ও ওমরার ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয় সমগ্র মাথার চুলই খাট করতে হবেকারণ এটা হলকের (মাথার চুল মুন্ডানোর) স্থলাভিষিক্তআর হলক তো সমগ্র মাথায়ই হয়ে থাকেযেমন আল্লাহ বলেন, لَتَدْخُلُنَّ الْمَسْجِدَ الْحَرَامَ إِنْ شَاءَ اللَّهُ آمِنِينَ مُحَلِّقِينَ رُءُوسَكُمْ وَمُقَصِّرِينَ لَا تَخَافُونَ আল্লাহর ইচ্ছায় তোমরা অবশ্যই মসজিদুল হারামে প্রবেশ করবে নিরাপদে, কেউ কেউ মস্তক মুন্ডন করবে, কেউ কেউ চুল কাটবে; তোমাদের কোন ভয় থাকবে না (ফাতহ ২৭)
আরাফায় অবস্থানকালে ত্রুটি-বিচ্যুতি :
অনেককে দেখা যায় আরাফায় অবস্থানের সময় আরাফার সীমায় প্রবেশের ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়েই অবস্থান করেনঅথচ হজ্জ আদায় হওয়ার জন্য আরাফার সীমার ভিতরে অবস্থান যরূরীএর বাইরে অবস্থান করে চলে গেলে হজ্জ আদায় হবে না কাজেই এ বিষয়ে হাজীদের গুরুত্ব প্রদান করা এবং আরাফার সীমা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া আবশ্যক
আরাফায় অবস্থানকালে অনেকেই আবার জাবালে রহমত দেখা, সেখানে যাওয়া এবং এতে আরোহণ করাকে আবশ্যক মনে করেনএর জন্য তারা প্রচন্ড কষ্ট স্বীকার করেন এবং নিজেদেরকে বিপদের দিকে ঠেলে দেন এসব যরূরী কিছু নয়বরং আরাফার সীমার মধ্যে যেকোন স্থানে অবস্থান করলেই ফরয আদায় হয়ে যাবেকারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, وَعَرَفَةُ كُلُّهَا مَوْقِفٌ، وَارْفَعُوْا عَنْ بَطْنِ عُرَنَةَ. সমগ্র আরাফাত ময়দানই অবস্থানস্থলআর উরানা থেকে তোমরা উঠে এসো জাবালে রহমত দর্শন করুক বা না করুক তাতে কোন যায় আসে নাআবার কেউ কেউ দোআ করার সময় পাহাড়কে কিবলা করেএটা ঠিক নয়বরং কাবা কিবলা করতে হবে
অনেকে সূর্যাস্তের পূর্বেই আরাফার সীমা ত্যাগ করেনএটা জায়েয নয়কারণ সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান আবশ্যক সুতরাং যে ব্যক্তি সূর্যাস্তের পূর্বেই আরাফা ত্যাগ করবে এবং সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত সেখানে ফিরবে না সে হজ্জের একটি ওয়াজিব কাজ তরক করবেএজন্য তাকে আল্লাহর কাছে তওবা করতে হবে এবং দম দিতে হবেকেননা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করেছেন
মুযদালিফায় অবস্থানকালে ত্রুটি-বিচ্যুতি :
হাজীগণ যখন মুযদালিফায় পৌঁছবেন তখন মাগরিব ও এশা জমা করে (একত্রে) পড়বেন এবং সেখানে রাত্রি যাপন করবেনঅতঃপর ফজরের ছালাত আদায়ের পর সূর্যোদয় পর্যন্ত দোআ করে মিনায় ফিরে যাবেনতবে যাদের ওযর আছে বিশেষ করে মহিলা, বৃদ্ধ এবং শিশুরা ও তাদের দায়িত্বে নিয়োজিতরা মধ্য রাত্রির পর মিনায় ফিরে যেতে পারেনকেউ কেউ মুযদালিফার সীমার বাইরে রাত্রি যাপন করেনঅনেকে আবার অর্ধরাত্রির পূর্বেই সেখান থেকে রওনা করে অন্যত্র রাত্রি যাপন করেনঅথচ মুযদালিফায় রাত্রি যাপন ওয়াজিব বিনা ওযরে যে মুযদালিফায় অবস্থান করল না, সে হজ্জের একটি ওয়াজিব তরক করল সুতরাং এই ওয়াজিব  তরক  করায়  দম  দিতে  হবে ও তওবা-ইস্তেগফার করতে হবে
কংকর নিক্ষেপে ত্রুটি-বিচ্যুতি :
জামরায় কংকর নিক্ষেপ করা হজ্জের অন্যতম ওয়াজিব১০ যিলহজ্জ ঈদের দিন দ্বি-প্রহরের পূর্বে এবং বাকী তিনদিন দ্বি-প্রহরের পর থেকে কংকর নিক্ষেপের বিধানঅনেকেই এ সময়সীমার প্রতি লক্ষ্য না রেখেই কংকর নিক্ষেপ করেন
৩টি জামরায় কংকর নিক্ষেপ করার ক্ষেত্রে নিয়ম হল প্রথমে ছোট, পরে মধ্যম এবং সবশেষে বড়টিতে নিক্ষেপ করা অনেকেই এই ধারাবাহিকতা বজায় না রেখে মধ্য বা শেষ জামরা থেকে কংকর নিক্ষেপ শুরু করে থাকেন
কংকর অবশ্যই নির্দিষ্ট স্থানে নিক্ষেপ করতে হবেনির্দিষ্ট সীমায় না পড়ে বাইরে পড়লে তা হবে না
কেউ কেউ প্রথম দিন নিক্ষেপের সময়েই পরবর্তী দিনেরগুলোও নিক্ষেপ করে ফেলে অথবা ঐগুলো নিক্ষেপের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করে চলে যায়এটা হজ্জের কার্যাদির সাথে খেল-তামাশার শামিল এবং শয়তানের ধোঁকাকেননা প্রায় সব কাজ শেষ করে কিছু কাজ অসম্পূর্ণ রেখে চলে যাওয়া দুর্ভাগ্যের লক্ষণ
অনেকে কুরআনে বর্ণিত (সূরা বাক্বারা ২০৩) দুদিন বলতে ১০ ও ১১ যিলহজ্জে কংকর নিক্ষেপ বুঝেন এবং ১১ তারিখে নিক্ষেপের পর চলে যায়এটা মারাত্মক ভুলপ্রকৃতপক্ষে কুরআনে বর্ণিত দুদিন হল ১০ যিলহজ্জের পরের দুদিন অর্থা ১১ ও ১২ যিলহজ্জ এই দুদিন কংকর নিক্ষেপ করে যদি কেউ চলে যায় তাহলে কোন অসুবিধা নেই, তবে ১৩ তারিখ অবস্থানপূর্বক ঐদিন নিক্ষেপ করে আসাতে পরিপূর্ণতা নিহিত রয়েছে, যা নিঃসন্দেহে উত্তম (ঈষ সংক্ষেপায়িত)

[উক্ত প্রবন্ধটি من أخطاء الحجيج فى الحج শিরোনামে রাবেতা আলামে ইসলামীর সাপ্তাহিক আল-আলামুল ইসলামী-এর জানুয়ারী ২০০৫ সংখ্যায় প্রকাশিত]

[বাংলায় অনূদিত উক্ত প্রবন্ধটি বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত মাসিক আত-তাহরীক পত্রিকায় সেপ্টেম্বর ২০১১ইং সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। পত্রিকার লিংটি হচ্ছে.....]

http://www.at-tahreek.com/september2011/2-4.html

 

* সঊদী সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদ সদস্য।
**
আরবী প্রভাষক, জামেয়া কাসেমিয়া কামিল মাদরাসা, নরসিংদী।

. মুসলিম হা/২২৮৬; মিশকাত হা/২৬১৮
. বুখারী হা/১৪২৯; মুসলিম হা/২০২২; ইরওয়াউল গালীল হা/৯৯৪
. আহমাদ হা/১৬১৫১; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৫৩৪
 
                                                   
Copyright www.ircnarsingdi.com Site Developed by www.narsingdibd.com